পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রিসহ উচ্চ পর্যায়ে বেতন বৃদ্ধির অনুমোদন।

দীর্ঘ ২১বছর পর এই প্রথম টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের লণ্ডভণ্ডের ঠান্ডব। স্বচক্ষে এতো নাজুক কিভাবে হতে পারে আল্লাহ ছাড়া কেঊ জানে না। আল্লাহর কি খুদরোত! এই সাজানো সুন্দর বিচিত্র কিভাবে বালির বাঁধের মত নিমিষে শেষ করতে পারে! কক্সবাজার জেলার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ শাহপরীর দ্বীপ, সেন্টমার্টিন। যেমন বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও ধমকা হাওয়া তেমনি জলোচ্ছ্বাসের প্রবল চাপে সাগরের লোনা পানি সাথে মিশে যায় সারা শাহপরীর দ্বীপ। পাল্টিয়ে দেয় পুরা শাহপরীর দ্বীপের চেহেরা, রূপ নেয় এক ভংয়কর চিত্রে। কোমেন নতুন প্রজন্মের জন্য সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ঘূর্ণিপাক। বৃহস্পতিবার রাত নয়টা থেকে শুক্রবার রাত বারটা পযর্ন্ত কোমেন যে ভূমিকা রাখছে শাহপরীর দ্বীপবাসী সর্বস্ব হয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ভিড় জমায়। শাহপরীরদ্বীপ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাংগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ পাড়া বেঃসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জালিয় পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এসব আশ্রয় কেন্দ্র ছিল শেষ সম্বল। এখনও ৫০% বাড়িঘরে জোয়ারের ঢেউ। ৯০% পরিবার ক্ষয়ক্ষতির শিকার, অনেকের হাস-মুরগি, গরু-ছাগল, মারা গেছে। ঘর-বাড়ির প্রয়োজনিয় আসবাবপত্র, কাগজপত্র, ছেলেমেয়েদের বইপত্র সহ অসংখ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়। গাছপালা ভেঙ্গে চলাচলের রাস্তা-ঘাট বন্ধ হয়ে যায়। অধিকাংশ বাশ ও পাতার ছাউনি বাড়ি ঘর ভেঙ্গে ছিন্নভিন্ন, ঘিরা-বেড়া উচ্ছেদ হয়ে মাটির সাথে মিশে যায়। কোনের চাপ কমলেও শনিবার ভারি বর্ষন হতে থাকে। এতো অসহায়ের মাঝেও কোমেনের শিকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো সহৃদয়বান মিলেনি। শাহপরীর দ্বীপের চতুরদিকে থই থই পানি আর মাঝখানে বাঁচিয়ে থাকার স্বপ্ন দেখে। বিদ্যুতে লাইন সংযোগ সহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক আনতে ২০ থেকে ২৫দিনের কম নয়। বিদ্যুতবিহীন জীবনটা হয়ে উঠবে হাহাকার।    

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৫

ইতালীয়ান তাভেলা হত্যায় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পত্রিকায় শিরোনাম বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক।

evsjv‡`k cywjk Ges †Mv‡q›`v wefv‡Mi Z`‡š—i cvkvcvwk wmRvi Zv‡fjv nZ¨vKv‡Êi KviY AbymÜv‡b wbR¯^ †Mv‡q›`v †bUIqv‡K© KvR ïi“ K‡i‡Q BZvwj| Rw½ msMVb AvBGm IB nZ¨vKv‡Êi `vq ¯^xKvi Ki‡jI Zv wbR¯^ †bUIqv‡K© wbwðZ n‡Z Pvq BZvwji †Mv‡q›`v ms¯’v| AvBGm n‡j †K‡bv wmRvi Uv‡fjv Uv‡M©U n‡jb Avi AvBGm bv n‡j Kviv †K‡bv GKRb BZvjxq‡K nZ¨v Ki‡jv Zv Lyu‡R †`Lvi KvR ïi“ K‡i‡Q Zviv|
BZvjxq MYgva¨‡gi msev‡`i Bs‡iwR Abyev` †`Lv‡”Q, evsjv‡`‡k Zv‡`i †`‡ki GKRb Dbœqb Kg©xi nZ¨vKv‡Êi Lei BZvjxq‡`i Kv‡Q A‡bKUv we¯§q wn‡m‡e g‡b n‡”Q| wbnZ nIqvi Av‡M †KDB Uv‡fjv‡K bv wPb‡jI GLb BZvwj‡Z wZwb GLb Av‡jvwPZ bvg|
†kv‡Ki cvkvcvwk nZ¨vKv‡Êi KviY AbymÜvb Ges †`vlxiv Avm‡j wePv‡ii gy‡LvgywL n‡”Q wKbv Zv wb‡q Zv‡`i g‡a¨ Mfxi AvMÖn †`Lv w`‡q‡Q| BZvwji MYgva¨‡g wmRvi Zv‡fjv nZ¨vKv‡Êi Le‡ii cvkvcvwk bvbviKg we‡kølYI cÖKvk Kiv n‡”Q|
Z‡e XvKvq BZvwj `~Zvevm G wel‡q GLb ch©š— ïay †kvK cÖKv‡ki cvkvcvwk XvKvq evm Kiv BZvjxq‡`i Pjv‡divmn wewfbœ wel‡q mZK© K‡i‡Q|
K~U‰bwZK GjvKvq Zvi wbnZ nIqvi Lei Rvwb‡q `~Zvevm e‡j‡Q, welqwU GLb ch©š— evsjv‡`k cywj‡ki Z`‡š—i g‡a¨ Av‡Q|
cvkvcvwk BZvwji bvMwiK‡`i †Kvb †Kvb wel‡q mZK© _vK‡Z n‡e ZvI ejv n‡q‡Q|
†b`vij¨vÛmwfwËK †h B›UviPvP© †KvAcv‡ikb AM©vbvB‡Rkb (AvBwmwmI)-G Uv‡fjv †cÖvMÖvg g¨v‡bRvi wQ‡jb †mB msMVb Zv‡K GKRb K‡Vvi cwikÖgx Ges gvby‡li Rb¨ memgq mnvqZvi nvZ evwo‡q †`Iqv GK gvbyl wn‡m‡e D‡jøL K‡i‡Q|
ÔXvKvq Kvw›UÖ Awd‡m Zvi wUg m`m¨ Ges mviv‡`‡k wdì Awdm¸‡jv‡Z wZwb AZ¨š— m¤§vwbZ gvbyl wQ‡jb,Õ D‡jøL K‡i Dbœqb ms¯’vwU Zvi g„Zy¨‡Z †kvK cÖKvk K‡i e‡j‡Q: P‡j hvIqv gvbylwUi cÖwZ m¤§vb Rvwb‡q G gyn~‡Z© Avgiv Avi †Kv‡bv gš—e¨ bv K‡i KZ©…c¶xq †h Z`š— ïi“ n‡q‡Q Zv Pj‡Z †`Iqvi c‡¶|
BZvjxq MYgva¨g Rvbv‡”Q, Zv‡fjv weevwnZ wQ‡jb Ges IB `¤úwZi GKwU Kb¨v mš—vb Av‡Q| `wi`Ö gvby‡li Rb¨ KvR Kivi †¶‡Î AMÖeZ©x GK gvbyl wQ‡jb wmRvi Uv‡fjv|
- See more at: http://www.now-bd.com/2015/09/30/443517.htm#sthash.ecltUbFj.dpuf
evsjv‡`k cywjk Ges †Mv‡q›`v wefv‡Mi Z`‡š—i cvkvcvwk wmRvi Zv‡fjv nZ¨vKv‡Êi KviY AbymÜv‡b wbR¯^ †Mv‡q›`v †bUIqv‡K© KvR ïi“ K‡i‡Q BZvwj| Rw½ msMVb AvBGm IB nZ¨vKv‡Êi `vq ¯^xKvi Ki‡jI Zv wbR¯^ †bUIqv‡K© wbwðZ n‡Z Pvq BZvwji †Mv‡q›`v ms¯’v| AvBGm n‡j †K‡bv wmRvi Uv‡fjv Uv‡M©U n‡jb Avi AvBGm bv n‡j Kviv †K‡bv GKRb BZvjxq‡K nZ¨v Ki‡jv Zv Lyu‡R †`Lvi KvR ïi“ K‡i‡Q Zviv|
BZvjxq MYgva¨‡gi msev‡`i Bs‡iwR Abyev` †`Lv‡”Q, evsjv‡`‡k Zv‡`i †`‡ki GKRb Dbœqb Kg©xi nZ¨vKv‡Êi Lei BZvjxq‡`i Kv‡Q A‡bKUv we¯§q wn‡m‡e g‡b n‡”Q| wbnZ nIqvi Av‡M †KDB Uv‡fjv‡K bv wPb‡jI GLb BZvwj‡Z wZwb GLb Av‡jvwPZ bvg|
†kv‡Ki cvkvcvwk nZ¨vKv‡Êi KviY AbymÜvb Ges †`vlxiv Avm‡j wePv‡ii gy‡LvgywL n‡”Q wKbv Zv wb‡q Zv‡`i g‡a¨ Mfxi AvMÖn †`Lv w`‡q‡Q| BZvwji MYgva¨‡g wmRvi Zv‡fjv nZ¨vKv‡Êi Le‡ii cvkvcvwk bvbviKg we‡kølYI cÖKvk Kiv n‡”Q|
Z‡e XvKvq BZvwj `~Zvevm G wel‡q GLb ch©š— ïay †kvK cÖKv‡ki cvkvcvwk XvKvq evm Kiv BZvjxq‡`i Pjv‡divmn wewfbœ wel‡q mZK© K‡i‡Q|
K~U‰bwZK GjvKvq Zvi wbnZ nIqvi Lei Rvwb‡q `~Zvevm e‡j‡Q, welqwU GLb ch©š— evsjv‡`k cywj‡ki Z`‡š—i g‡a¨ Av‡Q|
cvkvcvwk BZvwji bvMwiK‡`i †Kvb †Kvb wel‡q mZK© _vK‡Z n‡e ZvI ejv n‡q‡Q|
†b`vij¨vÛmwfwËK †h B›UviPvP© †KvAcv‡ikb AM©vbvB‡Rkb (AvBwmwmI)-G Uv‡fjv †cÖvMÖvg g¨v‡bRvi wQ‡jb †mB msMVb Zv‡K GKRb K‡Vvi cwikÖgx Ges gvby‡li Rb¨ memgq mnvqZvi nvZ evwo‡q †`Iqv GK gvbyl wn‡m‡e D‡jøL K‡i‡Q|
ÔXvKvq Kvw›UÖ Awd‡m Zvi wUg m`m¨ Ges mviv‡`‡k wdì Awdm¸‡jv‡Z wZwb AZ¨š— m¤§vwbZ gvbyl wQ‡jb,Õ D‡jøL K‡i Dbœqb ms¯’vwU Zvi g„Zy¨‡Z †kvK cÖKvk K‡i e‡j‡Q: P‡j hvIqv gvbylwUi cÖwZ m¤§vb Rvwb‡q G gyn~‡Z© Avgiv Avi †Kv‡bv gš—e¨ bv K‡i KZ©…c¶xq †h Z`š— ïi“ n‡q‡Q Zv Pj‡Z †`Iqvi c‡¶|
BZvjxq MYgva¨g Rvbv‡”Q, Zv‡fjv weevwnZ wQ‡jb Ges IB `¤úwZi GKwU Kb¨v mš—vb Av‡Q| `wi`Ö gvby‡li Rb¨ KvR Kivi †¶‡Î AMÖeZ©x GK gvbyl wQ‡jb wmRvi Uv‡fjv|
- See more at: http://www.now-bd.com/2015/09/30/443517.htm#sthash.ecltUbFj.dpu
evsjv‡`k cywjk Ges †Mv‡q›`v wefv‡Mi Z`‡š—i cvkvcvwk wmRvi Zv‡fjv nZ¨vKv‡Êi KviY AbymÜv‡b wbR¯^ †Mv‡q›`v †bUIqv‡K© KvR ïi“ K‡i‡Q BZvwj| Rw½ msMVb AvBGm IB nZ¨vKv‡Êi `vq ¯^xKvi Ki‡jI Zv wbR¯^ †bUIqv‡K© wbwðZ n‡Z Pvq BZvwji †Mv‡q›`v ms¯’v| AvBGm n‡j †K‡bv wmRvi Uv‡fjv Uv‡M©U n‡jb Avi AvBGm bv n‡j Kviv †K‡bv GKRb BZvjxq‡K nZ¨v Ki‡jv Zv Lyu‡R †`Lvi KvR ïi“ K‡i‡Q Zviv|
BZvjxq MYgva¨‡gi msev‡`i Bs‡iwR Abyev` †`Lv‡”Q, evsjv‡`‡k Zv‡`i †`‡ki GKRb Dbœqb Kg©xi nZ¨vKv‡Êi Lei BZvjxq‡`i Kv‡Q A‡bKUv we¯§q wn‡m‡e g‡b n‡”Q| wbnZ nIqvi Av‡M †KDB Uv‡fjv‡K bv wPb‡jI GLb BZvwj‡Z wZwb GLb Av‡jvwPZ bvg|
†kv‡Ki cvkvcvwk nZ¨vKv‡Êi KviY AbymÜvb Ges †`vlxiv Avm‡j wePv‡ii gy‡LvgywL n‡”Q wKbv Zv wb‡q Zv‡`i g‡a¨ Mfxi AvMÖn †`Lv w`‡q‡Q| BZvwji MYgva¨‡g wmRvi Zv‡fjv nZ¨vKv‡Êi Le‡ii cvkvcvwk bvbviKg we‡kølYI cÖKvk Kiv n‡”Q|
Z‡e XvKvq BZvwj `~Zvevm G wel‡q GLb ch©š— ïay †kvK cÖKv‡ki cvkvcvwk XvKvq evm Kiv BZvjxq‡`i Pjv‡divmn wewfbœ wel‡q mZK© K‡i‡Q|
K~U‰bwZK GjvKvq Zvi wbnZ nIqvi Lei Rvwb‡q `~Zvevm e‡j‡Q, welqwU GLb ch©š— evsjv‡`k cywj‡ki Z`‡š—i g‡a¨ Av‡Q|
cvkvcvwk BZvwji bvMwiK‡`i †Kvb †Kvb wel‡q mZK© _vK‡Z n‡e ZvI ejv n‡q‡Q|
†b`vij¨vÛmwfwËK †h B›UviPvP© †KvAcv‡ikb AM©vbvB‡Rkb (AvBwmwmI)-G Uv‡fjv †cÖvMÖvg g¨v‡bRvi wQ‡jb †mB msMVb Zv‡K GKRb K‡Vvi cwikÖgx Ges gvby‡li Rb¨ memgq mnvqZvi nvZ evwo‡q †`Iqv GK gvbyl wn‡m‡e D‡jøL K‡i‡Q|
ÔXvKvq Kvw›UÖ Awd‡m Zvi wUg m`m¨ Ges mviv‡`‡k wdì Awdm¸‡jv‡Z wZwb AZ¨š— m¤§vwbZ gvbyl wQ‡jb,Õ D‡jøL K‡i Dbœqb ms¯’vwU Zvi g„Zy¨‡Z †kvK cÖKvk K‡i e‡j‡Q: P‡j hvIqv gvbylwUi cÖwZ m¤§vb Rvwb‡q G gyn~‡Z© Avgiv Avi †Kv‡bv gš—e¨ bv K‡i KZ©…c¶xq †h Z`š— ïi“ n‡q‡Q Zv Pj‡Z †`Iqvi c‡¶|
BZvjxq MYgva¨g Rvbv‡”Q, Zv‡fjv weevwnZ wQ‡jb Ges IB `¤úwZi GKwU Kb¨v mš—vb Av‡Q| `wi`Ö gvby‡li Rb¨ KvR Kivi †¶‡Î AMÖeZ©x GK gvbyl wQ‡jb wmRvi Uv‡fjv|
- See more at: http://www.now-bd.com/2015/09/30/443517.htm#sthash.ecltUbFj.dpuf

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

এক নজরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির"

নাম – বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ।
ভিশন – “সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরী” ।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য - আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের
পুনর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন ।
কর্মসুচী – ৫ টি
১) দাওয়াতঃ তরুণ ছাত্রসমাজের কাছে ইসলামের আহ্বান পৌঁছিয়ে তাদের মাঝে ইসলামী জ্ঞান অর্জন এবং বাস্তব জীবনে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা ।
২) সংগঠনঃ যে সব ছাত্র ইসলামী জীবনবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করা ।
৩) প্রশিক্ষণঃ এই সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ ছাত্রদেরকে ইসলামী জ্ঞান প্রদান এবং আদর্শ চরিত্রবানরূপে গড়ে তুলে জাহেলিয়াতের সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী হিসেবে গড়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করা ।
৪) ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্যাঃ আদর্শ নাগরিক তৈরীর উদ্দেশ্যে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনের দাবিতে সংগ্রাম এবং ছাত্রসমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান ।
৫) ইসলামী সমাজ বিনির্মাণঃ অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং সাংস্কৃতিক গোলামী হতে মানবতার মুক্তির জন্য ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো ।
# প্রতিষ্ঠাকালীন তথ্যঃ
প্রতিষ্ঠাকাল – ৬ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭৭ ।
প্রতিষ্ঠার স্থান – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ।
প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য – ৬ জন ।
১) মীর কাশেম আলী
২) মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
৩) অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আবু তাহের
৪) মুহাম্মদ এনামুল হক মঞ্জু
৫) ড. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
৬) বাশারাত হোসেন বকুল
প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি – মীর কাশেম আলী ।
প্রতিষ্ঠাকালীন সেক্রেটারী জেনারেল – ড.এম.এ বারী ।
“বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির” নাম প্রস্তাবক – মরহুম সিদ্দীক জামাল ।
শিবিরের মনোগ্রাম ডিজাইনার – মোহাম্মদ আলী ।
শিবির সঙ্গীত রচয়িতা – ডা. মোর্শেদ আলী । (সদস্য, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, ১৯৭৯)
# শিবিরের যা কিছু প্রথমঃ
প্রথম কেন্দ্রীয় সহসভাপতি – শেখ কামরুল আলম ।
প্রথম শহীদ – শহীদ সাব্বির আহম্মদ । (১১.০৩.১৯৮২, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, সদস্যপ্রার্থী)
প্রথম পঙ্গুত্ববরণকারী – আব্দুল আজীজ । (মহসিন কলেজ, ১৯৭৮ সাল)
প্রথম সদস্য সম্মেলন – ১৯৭৭ সালের ১ অক্টোবর, হোটেল ইয়ামেন ।
প্রথম সাথী সম্মেলন – ১৯৯২ সাল ।
প্রথম কর্মী সম্মেলন – ১৯৮১ সাল ।
প্রথম কর্মপদ্ধতি প্রকাশ – ১৯৭৭ সাল ।
প্রথম সংবিধান প্রণয়ণ – ১৯৭৭ সালের মে মাস ।
প্রথম ছাত্রসংবাদ প্রকাশ – ১৯৭৭ সালের ২৯ অক্টোবর ।
প্রথম কিশোরকন্ঠ প্রকাশ – ১৯৮৪ সাল ।
প্রথম Juvenile Voice প্রকাশ – ২০০১ সাল ।
প্রথম Student Views প্রকাশ – ১৯৭৭ সাল ।
প্রথম ক্যালেন্ডার প্রকাশ – ১৯৮১ সাল ।
প্রথম ডায়েরী প্রকাশ – ১৯৯২ সাল ।
প্রথম ব্যাক্তিগত রিপোর্ট বইয়ের প্রচলন – ১৯৭৭ সাল ।
সদস্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ডায়েরী লিখার প্রচলন শুরু হয় – ১৯৮৪ সাল । (প্রস্তাবক – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা)
কেন্দ্রীয় সভাপতি থাকাকালীন প্রথম গ্রেফতার হন – মতিউর রহমান আকন্দ ।
শিবিরের প্রথম ওয়েবসাইট উদ্বোধন হয় – ১৯৯৭ সাল ।
শিবির ছাত্রসংসদ নির্বাচনে প্রথম অংশগ্রহণ করে – ১৯৭৯ সাল ।
কলেজ ছাত্রসংসদে সর্বপ্রথম বিজয়ী হয় – ১৯৮০ সালের ২১ জানুয়ারী, খুলনার আজম খান কমার্স কলেজে ভিপি, জিএস, এজিএস পদসহ ।
কলেজ ছাত্রসংসদে পূর্ণ প্যানেলসহ বিজয়ী হয় – ১৯৮১ সালে, চট্টগ্রাম হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, আজিজ-গাফফার পরিষদের প্যানেল ।
সর্বপ্রথম ও একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদে বিজয়ী হয় – ১৯৮১ সাল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (CUCSU)।
# ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত দিবস সমূহঃ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী – ৬ ফেব্রুয়ারী
শহীদ দিবস – ১১ মার্চ
বালাকোট দিবস – ৬ মে
কোরআন দিবস – ১১ মে
পলাশী দিবস – ২৩ জুন
ইসলামী শিক্ষা দিবস – ১৫ আগস্ট
পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস - ২৮ অক্টোবর
বাবরী মসজিদ দিবস – ৬ ডিসেম্বর
বদর দিবস – ১৭ রামাদান
# ইসলামী ছাত্রশিবিরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট – www.shibir.org.bd
# এ পর্যন্ত যেসকল রাহবার শিবিরকে নেতৃত্ব দিয়েছেনঃ
১) নামঃ মীর কাসেম আলী
দায়িত্বকালঃ ১৯৭৭
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, অর্থনীতি, ঢাবি
কর্মজীবনঃ শিল্পপতি
বর্তমান দায়িত্বঃ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
২) নামঃ মুহম্মদ কামারুজ্জামান
দায়িত্বকালঃ ১৯৭৭-৭৮, ৭৮-৭৯
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, গণযোগাযোগ বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ সাংবাদিকতা
সম্পাদক- সাপ্তাহিক সোনার বাংলা
বর্তমান দায়িত্বঃ সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৩) নামঃ অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ আবু তাহের
দায়িত্বকালঃ ১৯৭৯-৮০, ১৯৮০-৮১
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ শিক্ষাকতা
বর্তমান দায়িত্বঃ সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৪) নামঃ মুহাম্মদ এনামুল হক মনজু
দায়িত্বকালঃ ১৯৮১-৮২ (আংশিক)
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, ইংরেজী বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ শিক্ষকতা
৫) নামঃ মুহাম্মদ সাইফুল আলম খান মিলন
দায়িত্বকালঃ ১৯৮২-৮৩
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, সমাজকল্যাণ বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ এম.ডি. ইবনে সিনা হাসপাতাল
বর্তমান দায়িত্বঃ কেন্দ্রীয় শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৬) নামঃ মুহাম্মদ তাসনীম আলম
দায়িত্বকালঃ ১৯৮৩-৮৪, ১৯৮৪-৮৫
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এম এস এস, সমাজকল্যাণ বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ অধ্যাপনা
বর্তমান দায়িত্বঃ কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৭) নামঃ ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের
দায়িত্বকালঃ ১৯৮৫-৮৬, ১৯৮৬-৮৭
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এমবিবিএস (ডিএমসি), ঢাবি
কর্মজীবনঃ এমডি. আল-মানার হসপিটাল প্রা.লি:
বর্তমান দায়িত্বঃ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৮) নামঃ মুহাম্মদ শামছুল ইসলাম
দায়িত্বকালঃ ১৯৮৭-৮৮, ১৯৮৮-৮৯
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, সমাজতত্ব বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ ব্যবসা
বর্তমান দায়িত্বঃ আমীর, চট্টগ্রাম মহানগরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৯) নামঃ ডা: আমিনুল ইসলাম মুকুল
দায়িত্বকালঃ ১৯৮৯-৯০, ১৯৯০-৯১
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এফ সি পি এস
কর্মজীবনঃ চিকিৎসক
১০) নামঃ আবু জাফর মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ
দায়িত্বকালঃ ১৯৯১-৯২
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, খাদ্য পরিপুষ্টি বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ পরিচালক, স্টুডেন্ট এফেয়ার্স ডিভিশন, আই.আই.ইউ.সি
বর্তমান দায়িত্বঃ সহকারী সেক্রেটারি, চট্রগ্রাম মহানগরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১১) নামঃ ব্যারিস্টার মুহাম্মদ হামিদ হোসাইন আজাদ
দায়িত্বকালঃ ১৯৯৩
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, হিসাববিজ্ঞান, চবি, বার এট ল, লন্ডন
কর্মজীবনঃ আইনজীবি, প্রবাসি
১২) নামঃ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম খান
দায়িত্বকালঃ ১৯৯৪-১৯৯৫
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, ইসলামিক স্টাডিজ, রাবি
বর্তমান দায়িত্বঃ আমীর, ঢাকা মহানগরী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী
১৩) নামঃ মুহাম্মদ শাহ্জাহান
দায়িত্বকালঃ ১৯৯৬-১৯৯৭
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, খাদ্য পরিপুষ্টি বিভাগ, ঢাবি
কর্মজীবনঃ প্রশাসনিক কর্মকর্তা
ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতাল
বর্তমান দায়িত্বঃ আমীর,কক্সবাজার জেলা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১৪) নামঃ মুহাম্মদ মতিউর রহমান আকন্দ
দায়িত্বকালঃ ১৯৯৮, ১৯৯৯
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, এম এস সি অর্থনীতি, ঢাবি
কর্মজীবনঃ এমডি, ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতাল
বর্তমান দায়িত্বঃ সহকারী প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১৫) নামঃ এহসানুল মাহবুব জোবায়ের
দায়িত্বকালঃ ২০০০
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ঢাবি
কর্মজীবনঃ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
বর্তমান দায়িত্বঃ আমীর, সিলেট মহানগরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১৬) নামঃ নুরুল ইসলাম বুলবুল
দায়িত্বকালঃ ২০০১-২০০২
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, রাবি
কর্মজীবনঃ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
বর্তমান দায়িত্বঃ সেক্রেটারি, ঢাকা মহানগরী, কেন্দ্রীয় শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১৭) নামঃ মজিবুর রহমান মনজু
দায়িত্বকালঃ ২০০৩
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এমফিল গবেষক, (মুসলিম উম্মাহ ও জাতীয়তাবাদ) চবি
কর্মজীবনঃ ডি.ই.ডি (ডিটিভি)
বর্তমান দায়িত্বঃ সহসভাপতি, বাংলাদেশ সংস্কৃতি কেন্দ্র
১৮) নামঃ মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন
দায়িত্বকালঃ ২০০৪-২০০৫
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ঢাবি
কর্মজীবনঃ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
বর্তমান দায়িত্বঃ ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারী ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১৯) নামঃ ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাসুদ
দায়িত্বকালঃ ২০০৬-২০০৭
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ পি.এইচ.ডি (বাংলা সাহিত্য)
কর্মজীবনঃ প্রকল্প পরিচালক, বাংলাদেশ পাবলিকেশন্স লিঃ
বর্তমান দায়িত্বঃ সহকারী সেক্রেটারী, ঢাকা মহানগরী ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
২০) নামঃ মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান
দায়িত্বকালঃ ২০০৮
কর্মজীবনঃ ডিরেক্টর, নর্দান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
২১) নামঃ ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম
দায়িত্বকালঃ ২০০৯-২০১০
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, ইসলামিক স্টাডিজ, রাবি, পি.এইচ.ডি (ইসলামিক স্টাডিজ)
বর্তমান দায়িত্বঃ আমীর, রমনা থানা, ঢাকা মহানগরী ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
২২) নামঃ ডা. মুহাম্মদ ফকরুদ্দিন মানিক
দায়িত্বকালঃ ২০১১
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বি এইচ এম এস (BHMS)
কর্মজীবনঃ চিকিৎসক
২৩) নামঃ দেলাওয়ার হোসেন
দায়িত্বকালঃ ২০১২-২০১৩
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স, রসায়ন, রাবি
২৪) নামঃ মুহাম্মদ আবদুল জাব্বার
দায়িত্বকালঃ ২০১৪ - চলমান
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মাস্টার্স ।
# শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতিঃ
১) শেখ কামরুল আলম
২) হামিদুর রহমান আজাদ
# শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেলবৃন্দ (যারা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেননি) -
১) ড. মুহাম্মদ আব্দুল বারী
২) আবুল হাসানাত মুহাম্মদ আব্দুল হালিম
৩) মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া
৪) আ.স.ম মামুন শাহীন
৫) মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম
৬) শিশির মুহাম্মদ মুনীর
৭) ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী
# ইসলামী ছাত্রশিবিরের মোট শহীদঃ (০৬.০২.১৯৭৭ – ০৫.০২.১৯৭৭)
মোট সংখ্যা - ২১৭ জন
সদস্য - ৩১ জন
সদস্য প্রার্থী - ৯ জন
সাথী - ৭৫ জন
সাথী প্রার্থী - ৭ জন
কর্মী - ৮৮ জন
সমর্থক - ৭ জন
# যাদের হাতে শাহাদাত বরণ করেছেন ২১৭ জন ভাইঃ
আওয়ামীলীগ/ ছাত্রলীগ – ৬৬ জন
ছাত্রদল – ৩০ জন
ছাত্র সমাজ – ৫ জন
বাম সংগঠন (ছাত্রমৈত্রী/ ছাত্র ইউনিয়ন/ কমিউনিস্ট পার্টি) – ৯ জন
জাসদ ছাত্রলীগ – ২ জন
ছাত্র ঐক্য (ছাত্রদল + ছাত্রলীগ + বাম সংগঠন) – ৬ জন
১৪ দল – ৩ জন
ঘাদানিক – ২ জন
প্রশাসন (পুলিশ/ র‍্যাব/ বিজিবি/ যৌথবাহিনী) – ৫৩ জন
প্রশাসন+আওয়ামীলীগ/ছাত্রলীগ – ২৩ জন
অন্যান্য – ১৮ জন
( বিঃদ্রঃ এই নোটে কোনো তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন বা সংশোধন (যদি নিশ্চিত হোন) করার প্রয়োজন হলে তা কমেন্টে উল্লেখ করার জন্য আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি । আর এটি শেয়ার করে অন্যান্য ভাইদেরকে শিবির সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিতে আপনাদের কাছ থেকে সহযোগীতা কামনা করছি । )

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

আজ ২৭শে সেপ্টম্বর গুগল এর ১৭তম জন্মবার্ষিকি।

গুগল ১৭তম জন্মদিন উদযাপন একটি স্মারকের সঙ্গে ডুডল হার্কিং এ ফিরে ১৯৯০ এর ওয়েব এ।

ইমেজ, একটি বিপরীতমুখী, প্লাস্টিক পিসি, লাভা ল্যাম্প  এবং এমনকি ১৯৯৮  "গুগল!" লোগো ! সেপ্টেম্বর ২৭ গুগলের হোমপেজে, অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি ও এর ইন্টারনেট জায়ান্ট ক্রিয়াকলাপ  সমন্বিত অনুসারে ১৯৯৮ তার জন্মদিন হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

তবে,  ২০০৬ সাল পযর্ন্ত সেপ্টেম্বর ২৭ তারিখ তার কোন জন্মদিন পালন করেনি, কিন্তু এই বছর এটি ছিল  সেপ্টেম্বর ২৬ তারিখ হিসাবে।

আজ রাত ৯টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত সুপার মুনের দেখা মিলবে।

২৭ সেপ্টেম্বর আশ্বিনী পূর্ণিমা।একইসাথে আজ সুপারমুন। গোধূলির সময়টা কেটে গেলেই আকাশে দেখা মিলবে ব্লাডমুন কিংবা রক্তিম চাঁদের।  পৃথিবীতে ৩০ বছর পর বিরল এই ঘটনা ঘটতে চলেছে। মর্ত্যের মানুষের কাছে কল্পলোকের চাঁদ আরো স্পষ্ট হয়ে ধরা দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে চাঁদ নিজেই! আজ দেখা মিলবে সুপার মুন বা অতিকায় চাঁদের। এর রং হবে রক্তলাল। চাঁদ যখন তার স্বাভাবিক অক্ষ থেকে কিছুটা সরে এসে পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে তখন আকাশে ‍সুপারমুন দেখা যায়। এ সময় চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল ও বড় দেখায়। তবে চাঁদের এ আকার খুব স্বল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪১ থেকে রাত ৯টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হবে।  উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, আটলান্টিক মহাসাগর, গ্রিনল্যান্ড, ইউরোপ, আফ্রিকা, ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে এই উত্তেজনাকর মুহূর্ত অবলোকন করা যাবে। পৃথিবীর সব জায়গা থেকে এই ঘটনা দেখা যাবে না। বাংলাদেশসহ এশিয়ার দর্শকরা চাঁদের এ দুর্লভ দৃশ্য দেখতে বঞ্চিত হবেন। এসময় পূর্ণ চন্দ্র গ্রহণ ঢেকে দেবে চাঁদের আকাশকে। প্রাকৃতিক বিস্ময়কর ও বিরল ৭২ মিনিটের এই ঘটনা উপভোগ করতে যারা ব্যর্থ হবেন, তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে।এই  অনন্য ঘটনা ২০৩৩ সালে ফের ঘটবে। এর আগে এরকম দৈত্যাকায় রক্তিম পূর্ণ-চন্দ্রগ্রহণের ঘটনা ঘটেছিল ১৯৮২ সালে। গত একশো বছরে এই সুযোগ পাওয়া গিয়েছিলো মাত্র পাঁচ বার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মহাকাশ গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান নাসার ওয়বসাইটে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত খবর প্রকাশ করেছে। এই বিরল ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে নাসার পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে । ঘটনাটি নাসা টিভি লাইভ-ফিড সম্প্রচার করবে। প্রতি মাসেই চাঁদ তাঁর উপবৃত্তাকার কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করতে করতে পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে। কিন্ত, পূর্ণ-চাঁদ হয়ে পৃথিবীর কাছে আসা নি:সন্দেহে বিরল  ঘটনা। এই দিনে চাঁদ তাঁর প্রকৃত পরিধি অপেক্ষা ১৪ শতাংশ বড় হয়ে আমাদের কাছে দেখা দেবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সৌদি আরবের মিনাতে কেন বার বার দুর্ঘটনা?

সৌদি আরবের মক্কা থেকে তিন মাইল দুরে মিনাতে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ হাজিরা হজ্জের সময় শয়তানের উদ্দেশ্যে প্রতীকী রীতি অনুযায়ী পাথর ছুড়তে যান। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় এই স্থানটিতেই সবচেয়ে বেশি হাজিদের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালেও জামারাতে ২০৩ ও ২২৩ নম্বর সড়কের মোড়ে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এর পরেই প্রশ্ন উঠছে কেন বার বার এক জায়গায় দুর্ঘটনা ঘটছে। হজ্জের রীতির মধ্যে এই একটি সময় নির্দিষ্ট স্থানে হাজিদের পাথর নিক্ষেপ করতে হয়। প্রায় পাঁচতলা উঁচু এই জায়গায় উঠে পাথর নিক্ষেপ করে আবার হেটে ঐ স্থান ত্যাগ করতে হয়। সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের আজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ২০৩ ও ২২৩ নম্বর সড়কের সংযোগ স্থলে মানুষের চাপ বেড়ে গেলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে এর আগেও ২০০৬ সালে মিনায় পাথর ছোড়ার সময় ৩৬৪ জন নিহত হন। যেহেতু সব হাজিদের এখানে আসতে হয় সেজন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ অবকাঠামো উন্নতি করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫

শহীদ আবদুল মালেক প্রেরনার এক সুউজ্জ্বল বাতিঘর...


আগামী ১৫ই আগষ্ট আন্দোলনের অগ্রসেনানী আব্দুল মালেক ভাইয়ের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী। শহীদ আব্দুল মালেক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগের সেরা ছাত্র । ইসলামী শিক্ষার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ও
সমাজতন্ত্রীদের হাতে গুরুতর আহত হওয়ার ৩ দিন পর ১৯৬৯ সালের ১৫ আগষ্ট তিনি শহীদী মৃত্যুর অমিয়সুধা পান করেন। পাকিস্তান আমলে সর্বশেষ শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয় ১৯৬৯ সালে । এতে শিক্ষা ব্যবস্থার আদর্শিক ভিত্তি কি হবে, তা নিয়ে জনমত জরিপের আয়োজন করা হয় । এর অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৬৯ সালের ১২ আগষ্ট টি.এস.সি. তে আয়োজন করা হয় একটি আলোচনা সভার । এই আলোচনা সভায় বামপন্থীদের বিরোধীতামুলক বক্তব্যের মধ্যে শহীদ আব্দুল মালেক মাত্র ৫ মিনিট বক্তব্য রাখার সুযোগ পান । অসাধারন মেধাবী বাগ্মী আব্দুল মালেকের সেই ৫ মিনিটের যৌক্তিক বক্তব্যে সভার মোটিভ পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়ে যায় । উপস্থিত শ্রোতারা আব্দুল মালেকের বক্তব্যের সাথে ঐক্যমত্য পোষণ করে । আব্দুল মালেকের ত্বত্ত্ব ও যুক্তিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ক্ষিপ্ত করে দেয় ইতোপূর্বে বক্তব্য রাখা ইসলাম বিরোধী বক্তাদের । এই ঘটনার প্রেক্ষিতে যুক্তি ও বান্তবতার লড়াইয়ে পরাজিত বাম ও ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠী ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমন চালায় ছাত্রদের ওপর । সকল সংগীকে নিরাপদে বিদায় দিয়ে শহীদ আব্দুল মালেক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশ দিয়ে যাবার পথে লোহার রড-হকিষ্টিক নিয়ে তার ওপর ঝাপিয়ে পড়ে পিশাচ বাহিনী ধর্মনিরপেক্ষ ও বাম সন্ত্রাসীরা । রক্তাক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ছাত্র আব্দুল মালেক । তিনদিন পর ১৫ আগষ্টে শাহাদাত বরন করেন ইসলামের এই মহান বক্তা । আব্দুল মালেকের জন্ম ১৯৪৭ সালের মে মাসে। জন্ম স্খান বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার খোকসাবাড়ী গ্রামে। অসাধারণ মেধাবী আব্দুল মালেকের আলোকোজ্জল শিক্ষাজীবন ছিলো এরকম, -তিনি জুনিয়র স্কলারশীপ লাভ করেন। -এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে মেধা তালিকায় একাদশ স্খান অর্জন করেন।-এইচএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ৪র্থ স্খান নিয়ে পাস করেন। -এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন। -শাহাদাত বরণ কালে তিনি ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। -তিনি ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে ১২২ নং রুমে থাকতেন।
শহীদ আব্দুল মালেকের মধ্যে বিস্ময়করভাবে অনুকরণীয় সব গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। তিনি ছিলেন প্রখর মেধাবী, নিরহংকার, বিনয়ী, মিষ্টভাষী, সঠিক নেতৃত্ব দানের দূর্লভ যোগ্যতার অধিকারী, ভালোবাসা, ত্যাগ ও কুরবানীর উজ্জ্বল ও অনুপম দৃষ্টান্ত। ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থারপক্ষে কথা বলতে গিয়ে প্রথম শহীদ , শহীদ আব্দুল মালেক ইসলামী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মীর মনে চিরদিন ভাস্বর হয়ে থাকবেন প্রেরনার এক সুউজ্জ্বল বাতিঘর হয়ে ।

শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৫

বাবা’কে বিষণ মনে পড়ে! ৩১ডিসেম্বর ২০১৩ইং

১ম মৃত্যু বার্ষিকী
বুঝিনি কবু বাবা এভাবে বিজয় মাসে বিদায় ঘন্টা বাজাবে। যখন বাবা পাশে ছিল এক মূহুর্তেও মনে করিনি বাবা হারিয়ে যাবে। বাবার মৃত্যুর আমন্ত্রণ এতো ঘনিয়ে জানলে তৃপ্তিভরে ‘বাবা’ ডেকে নিতাম। একটানা এক বছর চার মাস আরোগ্যে কোন ডাক্তার কবিরাজ সনাক্তা করতে না পারায় বিভিন্ন ঔষুধ সেবনে ছিলেন ব্যাস্ত আমার বাবা। শারিরীক এতো অসুস্থতার পরও চিন্তা-চেতনা, দেহ-বল ছিল সতেজ। তাঁর চলাফেরা ছিল স্বাভাবিকের ন্যায়। রাতে ব্যাথা যন্ত্রণা বাড়লেও দিনে রীতিমত চালিয়ে যায় তাঁর প্রয়োজনীয় কাজ-কাম। বোঝা যেতনা তিনি একজন অসুস্থ। কোন কাজে খাম-খেয়ালী ছিল না তাঁর। এতো পরিশ্রমী, ধার্মিক, সৎ, সত্যবাদীর পরিচয় দিয়ে গেল আমাদের কাছে। যেমন ছিল গরম মেজাজী তেমন ছিল সাধু, দয়ালু, হৃদয়বান সাদা-মাটা। মিষ্টি কথায় কারো মন ভোলার চেয়ে তিক্ত কথায় স্পষ্টবাদী তাঁর স্বভাব। সুতরাং যার দরুণ লোকের কাছে তেমন প্রিয় হয়ে উঠেনি। কোন বদঅভ্যাস, অপব্যায়ে মগ্ন ছিল না। তাঁর অসাধ্য চেষ্টায় আমাদের এত বড় সংসারে অভাবের ছোঁয়া লাগেনি। সংসারে ৬ভাই ৩বোন কে গড়েছে মানুষ করে। বাবা হয়ে ঋণী থাকেনি সন্তানের কাছে। ‘মা’ আর ‘বাবা’ ডেকে তৃষ্ণা মিটেনী। মনে করেছিলাম মা’ই শুধু পাষান বাবার হাতে তুলে দিয়ে আমাদের অসহায় রেখে বিদায় দিল। কিন্তু দেখি বাবা, মায়ের চেয়ে কম পাষাণ নয়। সে ও কিভাবে একাকী ফেলে চলে গেল আমাদের নিঃস্ব করে। ডিসেম্বর নজিরবিহীন বাংলার বিজয় এবং স্বাধীনতার মাস হিসেবে বাঙ্গালীর মনে আবেগাপ্লুত স্মৃতির শোক বয়ে যায় যুগ যুগ ধরে। সেই ডিসেম্বরের মধ্য দিয়ে ঝরে যায় বিভিন্ন স্মৃতি বিজড়িত একটি পূর্ণাংগ বছর আর সূচনা হয় সজ্জিত নতুন বছর। বাবাও কি সে অবিকলে সমাপ্তি ঘটাল বিজয় মাস এবং অতিবাহিত একটি সম্পূর্ণ বছর আর নতুন বছরের আগমনে! নয় মান যুদ্ধে ত্রিশ হাজার মা-বোনের ইজ্জত আর রক্তের বিনিময়ে এই ডিসেম্বর বিজয় মাসের উড্ডয়ন, লাল বৃত্তিকায় সবুজ পতাকা উদয়নে ব্যাথা-বেদনাহত মুক্তমনায় হাসি উৎফুল্ল সারা বাংলা ডিসেম্বরের আগমনে । বিজয়ের মাস ডিসেম্বর ছিনিয়ে আনতে যেমন ছিল কষ্টের ফল তেমনি বিদায় বেলা আরও বেদনাদয়ক। সে ডিসেম্বর বিদায়বেলা কেড়ে নিয় যাই আমার প্রাণপ্রিয় ‘বাবা’কে। ৩১ তারিখ রাত ১২টা পার হয়ে ১তারিখে যখন পা দেয় বাবার বিদায় ঘন্টা বাজে। ভোর না হতে বাবা পরিবারের সবার (প্রত্যেক সন্তানের) কাছে দায়িত্ব তুলে দিয়ে সুস্থভাবে বিদায় নেয়। সবাই কান্নায় কলরোলে পাগলপারা। এই কি বাস্তব বিশ্বাসের অযোগ্য অশ্রুজলে সিক্ত প্রত্যেকে। বিজয়মালায়  ডিসেম্বর বাঙ্গালীর মনে যেমন গৌরব জন্মালো তেমনি আর একটি ইতিহাসের সূচনা ঘটালো বাবা’র নিশির রাতে চিরনিদ্রায়। এই দিনটিতে অশ্রুজলে সিক্ত, বেদনায় মক্ত ছাড়া আর কিছু দেবার নাই বাবা তোমাকে। 

শিকের ওপারে বাবাকে শুধু দেখেছি...কোলে উঠতে পারিনি -

আমি নুমায়ির। নামিরার ভাই। আমার বয়স সাত দিন। নুমায়ির আমার ডাকনাম। বাবা আমার নাম না রাখতে পারলেও অনলাইনেই আমার একটি নাম দেয়া হয়েছে- আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ। প্রখ্যাত সাহাবীর নামেই আমার এ নাম। মাসুদ আমার বাবা। আমি উনাকে দেখেছিলাম না। আজ দেখেছি। সাধারণত ছেলে সন্তান জন্মের পরে সন্তানের কানের পাশে নাকি আযান দেয়া হয়। সচরাচর পিতাই আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে আযান দিয়ে থাকেন। আমার বাবাও সেরকমই স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু পারেননি। কারন উনি বাসায় ছিলেন না।
এক দিন দুই দিন করে করে ছয়টি দিন পার হয়ে গেল। কিন্তু বাবা আসছিলেন না। অনেকেই বাসায় আসলেন। আমাকে কোলে নিলেন। আমাকে সবাই কেন যেন একটু বেশী করে আদর করছেন। কিন্তু জানেন, আমার সব আদরের পরেও কেন যেন একটি অতৃপ্তি কাজ করছিল। কি সেটা আমি বুঝতে পারছিলাম না। আমি ছোট তো, তাই কাউকে জিজ্ঞাসাও করতে পারছিলাম না।
সবাই আমার ছবি তুললেন। আদর করে ফেসবুকেও আমার ছবি পোস্ট করলেন চাচ্চুরা, খালামনিরা। যারা আমাদের বাসায় আসতে পারেননি, তারাও আমাকে দেখলেন। কমেন্টে অনেকেই অনেক দোয়া করেছেন। অনেকে নাকি আমাকে দেখে চোখের পানিও ফেলেছেন। আল্লাহর কাছে আমার জন্য অনেক দোয়া করেছেন।
আজ এক সপ্তাহ পরে মামনি আমাকে নিয়ে বাইরে গেলেন। ঘিঞ্জি রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে এক সময় একটি বড় দালানের কাছে পৌঁছলাম আমরা। কী জানি কোথায় যাচ্ছি আমরা! তবে এক ধরনের অজানা ভাল লাগা আমার মধ্যে কাজ করছিল। আমিতো আসলে জানিনা, আমরা কোথায় যাচ্ছি। শেষ পর্যন্ত আমরা ভেতরে গেলাম। কিছুক্ষন পরে লোহার শিকের ওপাশ থেকে একজন আমাকে ডাকলেন। আমি আধো আধো চোখ খুলে তাকালাম। খুব নজর করে খেয়াল করলাম। প্রথম দেখাতেই খুব ভাল লাগল। এক ধরনের অনুভূতি খেলা করে গেল ভেতরে। খেয়াল করলাম- উনার চোখের পানি বের হতে চাচ্ছে। কিন্তু উনি দৃঢ়তার সাথে তা আটকে রাখতে চাইছেন। মা আমাকে উচু করে ধরলেন। বললেন- দেখ, বাবাকে। আমার মনে পড়ে গেল এ কোলের জন্যই তো আমার অপেক্ষা ছিল। ইনিই আমার বাবা! বাবা, আমিতো তোমার জন্যেই অপেক্ষা করছি ক’দিন ধরে। আমি ভাবলাম, এবার বাবা আমাকে কোলে নেবেন। অতৃপ্তি বোধ হয় কিছুটা মিটবে। আমি অপেক্ষা করলাম। কিন্তু জানেন, বাবা আমাকে কোলে নিলেন না। কিভাবে নেবেন, কালো শিকের কারনে বোধ হয় আসতে পারছেন না। বলতে চাইলাম, বাবা শিকের এপাশে আসো। আমিতো তোমার জন্য হাত বাড়িয়ে আছি...
বাবা এবার আর পারলেন না। শব্দ করে ডুকরে কেঁদে ফেললেন। মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি, উনার চোখেও পানি।। আর বোন নামিরার দিকে খেয়াল করলাম। না, ও কিছু বুঝছেনা। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। একবার বাবার দিকে, একবার মায়ের দিকে আরেকবার আমার দিকে তাকাচ্ছে। কালো শিকগুলো ধরে ও শুধু ঝাকাচ্ছে। ওর বয়সও তো বেশী না। তাই শিকগুলো ও ভাংতে পারছেনা। আমি আরেকটু বড় হলে এ শিক ভেঙ্গে বাবার কাছে যেতাম। আমি বাবার চোখের পানি মুছে দিতে চাইলাম। কিন্তু আমার হাত তো ছোট। শিক পার হবেনা। তাই, বাবাই পরক্ষনে চোখ মুছে আমার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হাসলেন... বাবার হাসিটা না খুব মিষ্টি!
বাবা হাত বাড়ালেন। আমার মাথায় হাত বুলালেন। কী পরম তৃপ্তি বাবার হাতের স্পর্শে...। বাবা আমার দিকে তাকিয়ে আমাকে কিছু কথা বললেন। সে কথাগুলো বোধ হয় বাবার এতোদিনের সংরক্ষিত অনুভূতির ফসল। উনি বললেন- "দেখে রাখ জালিমের জেলখানা, আসতে হতে পারে তোমারও, এই আন্দোলনের ডাকে সারা দিয়ে"। আমি বলতে চাইলাম- বাবা, তুমি শুধু দোয়া কর। তোমার এ আন্দোলনের পথে যেন আমিও যথাযথভাবে পা বাড়াতে পাড়ি। আমার নামের স্বার্থকতা যেন আমি রাখতে পারি। তোমার মত সাহসী যেন হতে পারি, বাবা।
চলে এলাম বাবার আদেশ মিশ্রিত নির্দেশনাকে বুকে ধারন করে।
সবার কাছে দোয়া চাইছি। আমি যেন ধৈর্য ধারন করতে পারি। আর বাবা যেন খুব দ্রুত আমার কাছে চলে আসতে পারেন।

(নুমায়িরের অনুভূতি হয়তবা এমনই হবে। মাসুদ ভাইয়ের সাথে জেলখানায় তাঁর সন্তানের সাক্ষাতের ছবিটি দেখে খুব আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছি। কল্পনা করতে চেষ্টা করলাম সদ্যজাত এ নুমায়িরের অনুভূতির ব্যাপারে। সে কল্পনাকেই লিখতে চেষ্টা করেছি মাত্র-

বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভে উত্তাল দেশ : অবিলম্বে সাঈদীর মুক্তি না হলে সরকারকে টেনেহিচড়ে নামাবে জনতা


জামায়াত-শিবিরের বিক্ষোভ সমাবেশে উত্তাল দেশ। সুপ্রিমকোর্টের চূড়ান্ত রায়ে জামায়াতের নায়েবে আমির ও বিশ্বনন্দিত মোফাসসিরে কোরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীরকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দেয়ার প্রতিবাদ ও আজকের হরতালের সমর্থনে বুধবার এ বিক্ষোভ মিছিল করেন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা। 
বিক্ষোভ মিছিলে নেতাকর্মীরা সরকার আল্লামা সাঈদীর কণ্ঠকে রুদ্ধ করে কোরআনের আওয়াজ বন্ধ করার চক্রান্ত করছে অভিযোগ করে অবিলম্বে তাকে মুক্তি না দিলে জনতা এ সরকারকে টেনেহিচড়ে ক্ষমতা থেকে নামাবে। 
বিভিন্ন স্থানে এসব বিক্ষোভ সমাবেশে নেতার রায় প্রত্যাখ্যান কর তা প্রহসন অভিযোগ করে অবিলম্বে নিরপরাধ মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মুক্তি না দিলে দেশ অচল করে দেয়ারও হুমকি দেন। 
দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরে বিক্ষোভ সমাবেশের খবরের বিস্তারিত ডেস্ক রিপোর্টে : 
চট্টগ্রাম : জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে দেয়া প্রহসনের রায় বাতিল করে তাকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবির। 
সমাবেশে বক্তারা বলেন সরকার দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য দেশপ্রেমিক জনদরদী নেতাদের জেলে আটকে রাখার পায়তারা করছে। এজন্য তারা আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বিরোধী নেতাদের বছরের পর বছর মিথ্যা সাজানো মামলা দিয়ে প্রহসনের রায়ের মাধ্যমে দেশবাসীর মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করছে। 
বক্তারা বলেন, জামায়াত নেতাদের একমাত্র অপরাধ তারা জনগণকে আল্লাহর কথা বলেন। দেশের মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন ও স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতিকে সদা সজাগ রাখে। নেতৃবৃন্দ মাওলানা সাঈদীসহ সব রাজবন্দিকে দ্রুত মুক্তি দেয়ার জোর দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ সাঈদীর বিরুদ্ধে দেয়া রায়ের প্রতিবাদে জামায়াত ঘোষিত বৃহস্পতিবারের হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।
এদিকে মাওলানা সাঈদীর আমৃত্যু দণ্ডাদেশের চূড়ান্ত রায়কে প্রত্যাখ্যান করে নগরীর মুরাদপুর এলাকায় ঝটিকা মিছিল করেছে জামায়াত-শিবির। বুধবার দুপুরে এ ঝটিকা মিছিল বের হয়। মিছিল থেকে গাড়ি ভাংচুরের চেষ্টাও করে তারা।
পাঁচলাইশ থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ঝটিকা মিছিল থেকে শিবির কর্মীরা কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা পালিয়ে যায়।
খুলনা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমির মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, সরকার অন্যায়ভাবে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে অন্যায়ভাবে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে। তিনি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। দেশ থেকে ইসলামী নেতৃত্বশূন্য করার উদ্দেশে বিশ্ববরেণ্য মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সরকার নির্দেশিত ছকে এ রায় দিয়ে দেশকে এক ভয়াবহ সংকটে নিক্ষেপ করেছে। 
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে অন্যায় রায় প্রদান ও তার মুক্তির দাবিতে বুধবার তাত্ক্ষণিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন। 
বিক্ষোভ মিছিলে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মিম মিরাজ হোসাইন, জামায়াত নেতা মিয়া আকরামুজ্জামান রাজা, মো. অলিউল্লাহ, এস এম আক্তারুজ্জামান, আবু বকর সিদ্দিক, মুরাদ সোহাগ প্রমুখ।
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আল্লামা সাঈদীর কণ্ঠকে রুব্ধ করে দিয়ে কোরআনের আওয়াজ বন্ধ করার চক্রান্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে জনগণ দেখিয়ে দিয়েছে জনতা এ সরকারকে টেনেহিচড়ে ক্ষমতা থেকে নামাবে। 
তিনি অবিলম্বে সরকারকে সঠিক পথে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, এ আন্দোলন জনতার আন্দোলন, এ আন্দোলন আল্লামা সাঈদীসহ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির আন্দোলন। জনতার রোষ ঠেকাতে পারবেন না। অবিলম্বে নিরপরাধ মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মুক্তি দিন। তা না হলে দেশ অচল করে দেয়া হবে।
সিলেট : দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের প্রতিবাদ ও তার মুক্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামীর সিলট সদর উপজেলা ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।
বাদ যোহর শহরতলীর টুকের বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সদর জামায়াত আমির সুলতান খাঁর সভাপতিত্বে সেক্রেটারি আবদুল লতিফ লালার পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মিভির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুজন, সদর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নজির আহমদ। 
সভাপতির বক্তব্যে সদর জামায়াতের আমির বলেন, প্রহসনের রায়ের বিরুদ্ধে জনগণ মাঠে নেমে এসেছে। সরকারের এ দাবানল নেভানোর জন্য অনতিবিলম্বে মাওলানা সাইদীকে মুক্তি দেয়া উচিত।
উপস্থিত ছাত্র জনতার উদ্দেশ্যে শাবি শিবির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুজন বলেন, আপিল বিভাগ সরকারের মদদপুষ্ট হয়ে মাওলানা সাঈদীকে আমৃত্যু কারাপ্রদান করেছে আমরা এ প্রহসনের রায় প্রত্যাখ্যান করছি। এই রায় দেলোয়ার শিকদারের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে মাওলানা সাঈদীর জন্য এ রায় প্রযোজ্য না। মাওলানা সাঈদীকে নির্দোষ। মাওলানা সাঈদী বেকসুর খালাস পেয়ে আবারো জনতার মাঝে ফিরে আসবেন। মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী একজন আলেমে দ্বীন, বিশ্ববরেণ্য মোফাসসিরে কোরআন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অগণিত মানুষের হৃদয়ে তার স্থান। বিগত প্রায় অর্ধশতাব্দী কাল যাবত্ তিনি দেশে-বিদেশে মহাগ্রন্থ আল কোরআনের তাফসির পেশ করে আসছেন। ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তাঁর কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততা ছিল না। তিনি কোরআনের ময়দানে বিচরণ করেছেন সদা-সর্বদা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য দেলোয়ার সিকদারের অপকর্মের দায় আল্লাামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।
বরিশাল : জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে রায়কে প্রহসন উলেস্নখ করে এর প্রতিবাদে ও হরতালের সমর্থনে ঝটিকা মিছিল করেছে বরিশাল মহানগর জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহরের সিঅ্যান্ডবি রোডের তন্ময় কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে পৃথক দুটি ব্যানারে মিছিল বের করা হয়।
বরিশাল মহানগর শিবিরের সভাপতি আহম্মেদ শিহাবের নেতৃত্বে মিছিল থেকে নেতাকর্মীরা রায়ের প্রতিবাদ জানান। মিছিলটি ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক হয়ে কলেজ অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।
গাজীপুর : জামায়াতের নায়েবে আমির অল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীর আপিল মামলার রায়ের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় কর্মসূচী ২ দিন ব্যাপী হরতালের সমর্থনে গাজীপুরে বুধবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামের উদ্যোগে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গাজীপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে শহরের ঊনিশ চত্বর মুক্তমঞ্চ এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি জয়দেবপুর বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা এস এম ছানাউল্লাহ, গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমির আবদুল বাছেদ ও সেক্রেটারীি সাইদুর রহমান।
এছাড়া একই সময়ে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় গাজীপুর সদর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে একই দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গাজীপুর সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মো. আজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিলটি চান্দনা চৌরাস্তা এলাকা হয়ে ঢাকা রুটের বাইপাস এলাকায় এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি মো. খায়রুল হাসান, জেলা জামায়াতের আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. হোসেন আলী, টংগী থানা জামায়াতের সেক্রেটারি আফজাল হোসেন, মহানগর শিবিরের সভাপতি ফুয়াদ হাসান পল্লবসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মী। 
যশোর : জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু জেল দেয়ার প্রতিবাদে এবং দুই দিনের হরতালের সমর্থনে যশোরের বিভিন্ন এলাকায় মিছিল সমাবেশ হয়েছে। রায় ঘোষণার পর দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমে এসে এসব মিছিল সমাবেশে অংশ নেন।
বিকেলে যশোর শহরে জামায়াতের উদ্যোগে মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের শহর সেক্রেটারি অধ্যাপক শামসুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম, শিবিরের শহর সেক্রেটারি আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়া জেলার আটটি উপজেলা সদর ও গুরুত্বপূর্ণ হাটবাজারে মিছিল করে জামায়াত-শিবির।

২৬বছর বয়সী নেপালের এক যুবক বাইসাইকেল যুগে ১৯৫ টি দেশ ভ্রমণ


সেলিম মালয়েশিয়াঃ নেপালের দীপাক কার্তী নামে ২৬ বছরের এক যুবক বাইসাইকেল যুগে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ মহাদেশ ভ্রমণ করার একটি চূড়ান্ত প্ল্যান সৃষ্টি করে। দীপাকের বয়স যখন ২৩বছর তখন (২০১১ইং থেকে) ভ্রমণ শুরু করে এশিয়া মহাদেশে নেপাল, ভূটান, ভারত, পাকিস্তান, শৃলঙ্কা, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশ এবং অন্যান্য এ পর্যন্ত ১৬টি দেশ ভ্রমণ করেছে। দীপাক বর্তমানে মালয়েশিয়া ভ্রমণাদীন আছে। মালয়েশিয়া ২০দিন ভ্রমণ শেষে সিঙ্গাপুর, ইন্দুনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, হংকং ও জাপান শেষ করে আবার নেপাল ফিরবে। এরপর আফ্রিকা মহাদেশ দিয়া শুরু করবে দীপাকের বাইসাইকেল ভ্রমণযাত্রা। এভাবে ১৯৫টি দেশ ভ্রমণ শেষ করবে তার বয়স যখন ৩৮ বছর উর্ত্তীণ হবে। 

মনির খাঁন ও হেমা মালয়েশিয়া আসতেছে


সেলিম মালয়েশিয়াঃ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া যৌথ উদ্যোগে রেমিটেন্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ফেয়ার’২০১৪ উপলক্ষে আগমী ২১-২২ সেপ্টেম্বর রবি ও সোমবার ২দিন ব্যাপী মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য বিনামূল্যে কুয়ালালুমপুর দাতারান মারদেকা স্টেডিয়ামে একটি বিশাল কনসার্ট আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত কনসার্টে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য জনপ্রিয় গান নিয়ে আসবেন কন্ঠ শিল্পী মনির খাঁন ও

হেমা। অনেক বছরের প্রতিক্ষায় এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে প্রবাসী বাঙ্গালীরা আনন্দে উল্লাস। কুয়ালালুমপুর থেকে দূরে বসবাসরত শ্রমিক বাঙ্গালীরা স্ব স্ব কোম্পানীকে এক সপ্তাহ ছুটির আবেদন করে উক্ত অনুষ্ঠানে যথা সময়ে উপস্থিত হওয়ার উদ্যোগ নেয়। রবিবার বিকাল ৩ঘটিকা থেকে অনুষ্ঠান আরম্ভ হবে।

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

মালেয়েশিয়া বাঙ্গালীদের ভিড়ের বন্যা


সেলিম মা’ শিয়াঃ মালেয়েশিয়ায় প্রতি শুক্র, শনি/রবিবার ছুটি দিন হলেও মালয়েশিয়া কুয়ালালুমপুর শহরে শনি, রবিবার ছুটিদিন হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণীর বাঙ্গালী শ্রমিকেরা কারণে অকারণে ছুটে আসে কতরায়া বাংলা মার্কেট। বৈধ-অবৈধ বাঙ্গালীরা বেরিয়ে এসে ভিড়ের বন্যায় কতরায়া হয়ে উঠে ফকিরাপুলের মোড়। কতরায়া ঢুকলে বুঝা যাইনা মালেয়েশিয়ার অর্ন্তরভূক্ত কিনা বাংলাদেশ? হৈ হুল্লাশে এক আজব কাণ্ড। এক কথায় বলা যাই ফকিরাপুলের এক অবিকল শহর। এক দিকে শনি, রবি যেমন ছুটির দিন তেমনি আবার অবৈধ বাঙ্গালী শ্রমিকের জন্য ভয়ের দিন। বিশেষ করে প্রতি রবিবার এই কতরায়া বাংলা মার্কেটে বড় ধরনের অভিযান শুরু হয়। তাই বাঙ্গালীরা কৌশল অবলম্বন করে শনিবারে বেরিয়ে আসে ছুটে কাটাতে। এই সুযোগে প্রশাসন বাহিনী গত শনিরাব ১৩ই সেপ্টেম্বর ৬টি বাহিনীর সমন্বয়ে তকরায়া বাংলা মার্কেটে একটি বড় ধরণের অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫শত বাঙ্গালী শ্রমিক ধরিয়ে পেলে। এর পরও বরিবার দেখা যায় সেই হৈ হুল্লাশে জোয়ারে থৈ থৈ।

শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৪

ফারুকী হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের গুলি

টিভি চ্যানেলে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও আলোচক মাওফারুকীলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে গলা কেটে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন তার সমর্থকরা।
তাকে খুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে বুধবার রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশের মুরাদপুরে সমর্থক আলেমরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। এসময় তারা গাড়ি ভাঙচুরও করেন।
এর পরপরই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতাকর্মী সমর্থকরা নগরীর মুরাদপুর, বিবিরহাট, অক্সিজেন মোড়, শোলকবহর, দুই নম্বর গেট এলাকায় বিক্ষোভ করে ও দোকানপাট ভাঙচুর করে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) হারুন অর রশীদ হাজারী জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আহলে সুন্নাত ও ইসলামী ছাত্রসেনার দুই/তিনশ নেতাকর্মী সমর্থক সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান করছেন। তাদের আরেকটি গ্রুপ সেখান থেকে মোহাম্মদপুরের দিকে মিছিল নিয়ে গেছে।
এদিকে চট্টগ্রাম আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে  জানিয়েছেন, আগামীকাল বৈঠক করে তারা এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদের ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজরে মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে তার ১৭৪ নং পূর্ব রাজাবাজারের নিজ বাসার সামনেই এ ঘটনা ঘটে।
মাওলানা ফারুকী চ্যানেল আইয়ের ‘কাফেলা’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক,  মাইটিভিতে ‘সত্যের সন্ধানে’সহ আরো কয়েকটি বেসরকারি চ্যানেলে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আলোচক বা উপস্থাপক ছিলেন। এছাড়া তিনি হাইকোর্ট মাজার মসজিদের খতিব হিসেবেও কাজ করতেন।

ইবোলা পরিস্থিতি ভয়াবহ, সতর্ক করলো যুক্তরাষ্ট্র

ebola_497325451মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সতর্ক করে বলেছে, মরণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের ‘মহামারী’ পশ্চিম আফ্রিকায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অনেকক্ষেত্রে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের প্রকৃত সংখ্যা উঠে আসছে না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর দ্যা ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশান এর পরিচালক টম ফ্রিডেন বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই সতর্কতার কথা বলেন।
তিনি বলেন, ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। আগের চেয়ে এর অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে।
‘বিশ্ব এর আগে ইবোলার এমন ভয়াবহতা আগে কখনো দেখেনি। এটা শুধু মৃত্যুর সংখ্যার হিসাবে নয়। বরং আমরা জেনেছি সেখানে নিহতের সংখ্যা যা এসেছে প্রকৃতপক্ষে তার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে’, যোগ করেন টম ফ্রিডেন।
পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে ইবোলা সবচেয়ে বেশি মহামারী ছড়িয়েছে লাইবেরিয়াতে। সেখানে এখন পর্যন্ত ৬২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৮২ জন আক্রান্ত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এর মতে, ‘অনাকাঙ্খিত’ এ মহামারীতে এ বছর এখন পর্যন্ত এক হাজার ৪২৭ জন মারা গেছেন। এছাড়া ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬১৫ জন।
তবে হু মনে করে, এই সংখ্যাটি প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে অনেক কম। কারণ, অনেকক্ষেত্রেই সামজিকভাবে ইবোলায় আক্রান্তের তথ্য প্রকাশ করা হয় না।
এই অবস্থার মধ্যে ইবোলার মহামারী নিয়ে আলোচনার জন্য গিনির রাজধানীতে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা একত্রিত হচ্ছেন।

বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৩

সুপ্রিম কোর্টে মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হবে আল্লামা দেলেওয়ার হোছাইন সাঈদী

সুপ্রিমকোর্টে শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ মামলার প্রস্তুতি দিক নির্দেশনার জন্য রবিবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জামায়াত নেতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সঙ্গে তার দুজন আইনজীবী সাক্ষাৎ করেছেন

অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম মতিউর রহমান আকন্দ তার সঙ্গে দেখা করেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডিফেন্স অফিস এক্সিকিউটিভ এমএম রহমান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়

আল্লামা সাঈদী তার বিরুদ্ধে ঘোষিত ফাঁসির আদেশ বাতিলের জন্য সুপ্রিমকোর্টে আপিল দায়ের করেছেন। মামলাটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। মামলার আইনি বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য আল্লামা সাঈদী আইনজীবীদের দিকনির্দেশনা দেন।

যে দুটি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রমাণ এবং উক্ত অভিযোগের ফ্যাক্টস্ আইনি যুক্তি তুলে ধরার জন্য আল্লামা সাঈদী আইনজীবীদেরকে পরামর্শ দেন

সময় তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার হাজার কোটি মাইলের মধ্যেও আমার কোনো অবস্থান ছিল না। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য এই মামলায় আমাকে সাজা দেয়া হয়েছে।

জামায়াতের সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘মাননীয় ট্রাইব্যুনালের নিকট আমি পাঁচ মিনিট সময় চেয়েছিলাম আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের জবাব দেয়ার জন্য। কিন্তু আমাকে সে সুযোগও দেয়া হয়নি।

সরকার জামায়াত নেতাদেরকে মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় সাজা দিয়ে ইসলামী আন্দোলনকে স্তব্ধ করে দেয়ার চক্রান্ত করছে। কিন্তু সরকারের সকল ষড়যন্ত্র এদেশের তৌহিদী জনতা নস্যাৎ করে দেবে; ইনশাআল্লাহযোগ করেন তিনি।

আল্লামা সাঈদী বলেন, ‘যারা আল্লাহর একত্ববাদের আওয়াজ বন্ধ করে দিতে চায় আল্লাহ তায়ালা তাদের আওয়াজ বন্ধ করে দেবেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের জমিন আল্লাহ ইসলামের জন্য কবুল করে নিয়েছেন।

আজ হোক কাল হোক ইসলামের বিজয় অবশ্যম্ভাবী। যে জমিনে অন্যায়, অসত্য মিথ্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে শিশু-কিশোর, তরুণ, বৃদ্ধ নারীরা অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেয়, সে জমিনে অবশ্যই আল্লাহর দ্বীন বিজয় লাভ করবে এবং জালেম শাহীর পতন ঘটবেবলেন তিনি।

জামায়াতের সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘আমি মৃত্যুর পরওয়া করি না। সারা জীবন শহীদী মৃত্যু কামনা করেছি। লক্ষ লক্ষ মানুষকে নিয়ে উন্মুক্ত ময়দানে আল্লাহর কাছে দুহাত তুলে দোয়া করেছি শহীদী মৃত্যুবরণের জন্য। স্বাভাবিক মৃত্যুর মধ্যে কোনো গৌরব নেই, শহীদী মৃত্যু মানুষকে গৌরবান্বিত এবং মহিমান্বিত করে।

তিনি বলেন, ‘আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার ঈমানের কথা বলার কারণে হাজার বার জীবন দিতে প্রস্তুত। আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, শহীদ হাসানুল বান্না, সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ আবদুল কাদের আওদাহ্কে শহীদ করে দ্বীনের আওয়াজ বন্ধ করা যায়নি।

তাদের রক্ত শুধু মিসর নয়, সারা পৃথিবীতে কথা বলছে। আমি সেই দ্বীনে হকের দায়িত্ব পালনের অপরাধে যে মৃত্যু, সেই মৃত্যুই কামনা করিযোগ করেন তিনি।

আল্লামা সাঈদী বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে অভিযোগে আমাকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে সুপ্রিমকোর্টে তা মিথ্যা প্রমাণিত হবে এবং আমি কোরআনের ময়দানে ফিরে যাব; ইনশাআল্লাহ

রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০১১

১-০ গোলে মালয়েশিয়ার হাতে মায়ানমারের পরাজয়


ফাকরীর গোলে উত্তেজিত মালয়েশিয়ার খেলোয়াড়।

ইন্দোনেশিয়াঃ গত ১৯শে নভেম্ব্রর মালয়েশিয়ার সময় রাত ৯টা ইন্দোনেশিয়ার ‘২৬তম সী গেমইস’ এর উদ্যেগে ইন্দোনেশিয়া জাকারতার ‘গ্যালোরা বোং কার্নো স্ট্যাডিয়াম’এ মালয়েশিয়া বনাম মায়ানমার ফুটবল খেলা অনুষ্টিত হয়।দু’দলই সুন্দর খেলা উপহার দেয়।খেলার মান যথাক্রমে ৬৫%, ৭৮%, বিরতির পর ৭৫মিনিটের মাথায় দূর্ভাগ্যক্রমে মালয়েশিয়ার খেলোয়াড় ফাকরীর পায়ের জোরে মানয়ানমারের গোলে আগাত হানে।দু’দলই সেমি ফাইনালে অংশ গ্রহন করে, মালয়েশিয়া ফাইনালের খাতায় নাম লিখে

শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১১

ওবামা মালয়েশিয়ার প্রতি রসাস্বাদন দেখায়

প্রধানমন্ত্রী জনাব মুহাম্মদ নাজীব রাজ্জাক আসিয়ান ও পূর্ব এশিয়া বৈঠকের এর 
সীমারেখা - বহির্ভুত অংশের উপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আজ।

বালি ইন্দোনেশিয়াঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গতকাল একটি প্রগতিশীল আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ইসলামিক জাতি হিসেবে মালয়েশিয়ার ভূমিকা দিকে ওয়াশিংটনে গুণগ্রাহিতা হাইলাইট হয়েছে।তিনি আশা করেন উভয় দেশগুলি বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান সহযোগিতা উন্নত করতে পারে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জনাব মুহাম্মদ নাজীব রাজ্জাকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে, ওবামা উল্লেখিত মালয়েশিয়ার পুনর্গঠন প্রচেষ্টায় আফগানিস্তানে যুদ্ধে ছিন্ন যেখানে কুয়ালালমপুর বর্তমানে চিকিৎসা প্রদান সাহায্যে অংশগ্রহণ করা হয়। নাজীব বলেন সম্ভবত মালয়েশিয়ায় অন্যান্য এলাকায় আফগান পুলিশ বাহিনী যা বর্তমানে গঠন প্রক্রিয়ায় চলমান প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য অবদান রাখতে পারে।উভয় নেতা চলমান সীমারেখা-বহির্ভুত অংশ পুরণে আসিয়ান শীর্ষসম্মেলন সম্পর্কিত বৈঠক।এই ছিল প্রথমবারের ওবামা আসিয়ান-মার্কিন নেতাদের বৈঠক, সম্পর্কিত ১৯তম আসিয়ান শীর্ষসম্মেলন পাশাপাশি অনুষ্ঠিত বৈঠকের এক ছিল অনুচর।গত বছর এপ্রিল নাজীব যখন ওয়াশিংটন ডিসি নিরাপত্তা শীর্ষসম্মেলন উদ্বোধনী অনুষ্টান অংশগ্রহনে দুই নেতার এই ছিল সর্বশেষ একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। আসিয়ান-জাপান শীর্ষসম্মেলন; আসিয়ান-কোরিয়া শীর্ষসম্মেলন; আসিয়ান-প্লাস-৩ শীর্ষসম্মেলন এবং তৃতীয় আসিয়ান-মার্কিন শীর্ষসম্মেলন এছাড়াও ১৪তম আসিয়ান-চীন শীর্ষসম্মেলন গতকাল নাজীব অংশগ্রহন করেন।
প্রধানমন্ত্রী জনাব মুহাম্মদ নাজীব রাজ্জাক আসিয়ান ও পূর্ব এশিয়া বৈঠকের সীমারেখা-বহির্ভুত অংশের উপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বালি’তে বৈঠক আজ।

বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০১১

ঈদের টানা একসপ্তাহ’র ছুটিতে লোকালয়ে ভিড়ের ঢল নেমেছে

সেলিমঃ গত ৬ই নভেম্বর ঈদুল আযহা’কে সামনে রেখে পুরো মালয়েশিয়ায় টানা এক সপ্তাহের ছুটিতে আজ তিন দিন শেষে চার দিনের মাথায় মানুষ কর্মস্থানে ফেরা শুরু করেছে। এই ঈদুল আযহা বিশ্ব মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। তদ্রুপ মালয়েশিয়াও সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম দেশে  এই দিনটি অন্যতম। প্রতিবারের ন্যায় এবারের ঈদুল আযহা’র দিনটি তেমন আনুষ্ঠানিকতা দেখা যায়নি। তাই মানুষের আনন্দ, খুশি, ঈদ ছুটি কাটাও ছিল ভিন্ন। আনন্দ উল্লাসের তেমন ঝড় বয়নি। গত কয়েক দিন আগে কালি মা’র দেবী পূঁজা যেভাবে উদযাপন হয়েছে তা সর্বধর্মালম্বীর আনন্দের ছোঁয়া লেগে দেয়। এরপর নতুন বছরের শুরুতে চীনা ধর্মানুষ্ঠানেও উৎসব যেভাবে উদযাপিত হবে মুসলিমদের লজ্জায় মুখ ডুবাবে। সরকারিভাবে অফিস আদালত, কোট-কাছারী, স্কুল-মাদ্রাসা ছুটি হলেও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার ছুটি হয়নি। যা মুসলমানদের জন্য অবমাননার পরিপন্থী। এদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব মুহাম্মদ নাজিব পবিত্র হজ্ব পালনে তাঁর পরিচালনাধীন ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সমস্যাজনিত কারণে পবিত্র ঈদুল আযহা প্রতিবারের ন্যায় এবার ব্যতিক্রম দেখা দেয়। এতেও মানুষ যেভাবে খুশির নেশায় মগ্ন হয়ে ঘুরছে সর্বান্তরে। রাস্তা-ঘাট, খোলা মাঠ, হাওড়, নদী পাড়, বালি কণা সমুদ্রাচর, নির্জনালয়, শিশুপার্ক, মনমহল হয়ে উঠেছে বাঁধ ভাঙ্গা জন মিছিল। দু’চোখের অদৃশ্য হয়না কোন অন্তর। মানুষের গুনগুনে হয়ে উঠে পাখির গুঞ্জন।